একটা ফ্যাশন দোকানের যা যা লাগে — সব এক জায়গায়।
কাউন্টার থেকে গোডাউন — বিক্রি, অফার, স্টক, কেনাকাটা আর রিপোর্ট, সব একসাথে মিলেমিশে কাজ করে।
গোছানো, সহজ স্ক্রিন — কাজ করে আরাম পাবে আপনার টিম।
সফটওয়্যারের আসল স্ক্রিন, নমুনা তথ্য দিয়ে দেখানো।
বিলিং স্ক্রিন। মাউস না ছুঁয়েই স্ক্যান, ডিসকাউন্ট আর পেমেন্ট — F1–F9 শর্টকাট, মেম্বার খোঁজা, বিল হোল্ড আর এক্সচেঞ্জ। স্ক্যান করার সাথে সাথেই অফার বসে যায়।
মালিকের ড্যাশবোর্ড। লগইন করলেই সব ব্রাঞ্চের আজকের বিক্রি, স্টক আর সবচেয়ে বেশি চলা পণ্য — এক নজরে।
অফার ও প্রমোশন। % ছাড়, কম্বো আর “একটা কিনলে আরেকটা” অফার বানান, ব্রাঞ্চ আর তারিখ ঠিক করে দিন — বাকিটা প্রতিটা কাউন্টার নিজেই সামলাবে।
স্টক ও লেবেল। পণ্য, সাইজ আর ব্রাঞ্চ ধরে স্টক — আর এই তালিকা থেকেই সরাসরি বারকোড প্রাইস লেবেল প্রিন্ট।
ভাঙা সাইজ। কোন পণ্যের কোন সাইজ বা কালার ফুরিয়ে এসেছে, ব্রাঞ্চ ধরে দেখে নিন — বিক্রি হাতছাড়া হওয়ার আগেই।
মেম্বার। কাস্টমারকে মেম্বার করুন, তার পয়েন্টের হিসাব রাখুন, আর কাউন্টারেই পুরস্কার দিন।
থার্মাল রিসিট। অফার, পেমেন্ট আর মেম্বারের পয়েন্টসহ ৮০ মিমি থার্মাল রিসিট — সাথে মূসক-৬.৩ ফরম্যাটে A4 ইনভয়েস আর রিপ্রিন্টের সুবিধা।
বাংলায়। একই স্ক্রিন বাংলায় — প্রত্যেক ইউজার নিজের ভাষা নিজেই বেছে নেন।
ঈদ, পূজা বা সিজন-শেষের সেল — চালান একটুও ভুল ছাড়া।
অফার একবার বানালেই হলো। প্রতিটা ব্রাঞ্চের প্রতিটা কাউন্টারে পণ্য স্ক্যান করার মুহূর্তেই সেটা নিজে থেকে বসে যাবে।
একই পণ্যে দুটো অফার পড়লে যেটা বেশি নির্দিষ্ট, সেটাই কাজ করে। আর একে অপরের সাথে সাংঘর্ষিক অফার চালু হওয়ার আগেই আটকে যায়।
কোন ব্রাঞ্চে, কোন কোন দিন — ঠিক করে দিন; অফার নিজে থেকেই শুরু হবে, নিজে থেকেই শেষ হবে।
কোন বিলের কোন পণ্যে কত ছাড় গেল, সব রেকর্ড থাকে — তাই প্রতিটা অফারে আসলে কত খরচ হলো, পরিষ্কার দেখতে পাবেন।
সব পণ্যে, একটা ক্যাটাগরিতে (সাব-ক্যাটাগরিসহ), একটা পণ্যে, এমনকি নির্দিষ্ট একটা সাইজ বা কালারে।
১টা কিনলে আরেকটা ৫০% ছাড়ে — ভিন্ন ক্যাটাগরিতেও চলে: পাঞ্জাবি কিনলে টি-শার্ট অর্ধেক দামে।
পাঞ্জাবি + পায়জামা + টুপি — পুরো সেট এক বিশেষ দামে।
নির্দিষ্ট সেল প্রাইস, অথবা বেশি কিনলে বেশি ছাড়।
এক বছরের বেশি পুরনো পণ্য বেছে নিয়ে জমে থাকা মাল নিজে থেকেই ক্লিয়ার করুন।
একটা ক্যাম্পেইনেই প্রতিটা পণ্যে আলাদা ছাড় — শুধু একটা শিট আপলোড করুন।
স্ক্রিনে যা দেখাচ্ছে, তাকেও ঠিক তা-ই আছে।
যে পিসটাই আসুক, বিক্রি হোক, অন্য ব্রাঞ্চে যাক বা নষ্ট হোক — সব রেকর্ড হয়, আর পরে চুপিচুপি কিছুই বদলানো যায় না।
- স্টকের বেশি বিক্রি অসম্ভব — দুই কাউন্টার একই মুহূর্তে শেষ পিসটা বিক্রি করতে গেলেও।
- ভুল মুছে ফেলা হয় না, শুধরে নেওয়া হয় — ভুল রিসিভ উল্টে দেওয়া হয় পরিষ্কার রেকর্ড রেখে।
- রিসিভসহ ট্রান্সফার — ব্রাঞ্চে পাঠানো মাল পৌঁছানোর পর কনফার্ম করা হয়।
- কেনাকাটাও এখানেই — পারচেজ অর্ডার, পণ্য ধরে ধরে মাল রিসিভ আর সাপ্লায়ারকে ফেরত।
সাইজ আর কালারের ঝামেলা — সামলাবে সিস্টেম।
একবার পণ্য যোগ করে কালার আর সাইজ বেছে দিন — প্রতিটা ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হয়ে যাবে নিজস্ব বারকোডসহ। তারপর এক নজরে দেখুন, কোথায় সাইজ ভাঙছে।
- ভাঙা সাইজের রিপোর্ট — কোন পণ্যের কিছু সাইজ শেষ, বিক্রি হাতছাড়া হওয়ার আগেই জেনে নিন।
- বারকোড লেবেল — রোল লেবেল প্রিন্টার বা A4 শিটে প্রাইস ট্যাগ প্রিন্ট।
- কোম্পানির বারকোডই চলবে — পণ্যে বারকোড থাকলে সেটাই, না থাকলে সিস্টেম নিজেই বানিয়ে দেবে।
- সিজন ও জেন্ডার ট্যাগ — আপনি কালেকশন যেভাবে ভাবেন, রিপোর্টও সেভাবেই ফিল্টার করুন।
| S | M | L | XL | XXL | |
|---|---|---|---|---|---|
| মেরুন | ৬ | ৪ | ০ | ৩ | ২ |
| নেভি | ৫ | ০ | ০ | ১ | ৪ |
| অফ-হোয়াইট | ৮ | ৭ | ৫ | ৬ | ৩ |
একবারের কাস্টমারকে বানান নিয়মিত কাস্টমার।
কাউন্টারেই কয়েক সেকেন্ডে কাস্টমারকে মেম্বার করে নিন, আর প্রতিবার ফিরে এলে পুরস্কার দিন — আপনার দোকানের নিয়মে।
- মেম্বার ডিসকাউন্ট — প্রত্যেক মেম্বারের জন্য নির্দিষ্ট % ছাড়, নিজে থেকেই বসে যায়।
- অথবা লয়্যালটি পয়েন্ট — প্রতিটা কেনাকাটায় পয়েন্ট জমে, পরের বিলে খরচ করা যায়।
- নিয়ম আপনার — কত টাকায় কত পয়েন্ট, এক পয়েন্টের দাম কত, কত পয়েন্ট জমলে খরচ করা যাবে, আর মেম্বার হতে ন্যূনতম কত টাকার কেনাকাটা।
- SMS দিয়ে যাচাই — আপনার নিজের SMS গেটওয়ে থেকে ওয়ান-টাইম কোড পাঠিয়ে মেম্বারের ফোন নম্বর নিশ্চিত করুন।
- হিসাব রিসিটেই — কত পয়েন্ট পেলেন, কত খরচ হলো আর কত রইল — সব রিসিটে ছাপা থাকে।
দোকানে না থেকেও — নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতেই।
প্রত্যেককে ঠিক ততটুকু অ্যাক্সেস দিন, যতটুকু তার কাজে লাগে। গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগবে ম্যানেজারের অনুমোদন।
প্রতিটা ব্রাঞ্চ দেখে শুধু নিজেরটা
ব্রাঞ্চের স্টাফ কাজ করে শুধু নিজের দোকানের স্টক আর বিক্রি নিয়ে — এর বাইরে কিছু না।
বিল বাতিল ও ফেরতে অনুমতি লাগে
বিল বাতিল বা টাকা ফেরত শুধু ম্যানেজাররাই পারেন, তাও নিজের ব্রাঞ্চে।
ক্যাশিয়ারের ডিসকাউন্টে লাগাম
ক্যাশিয়ার নিজে ডিসকাউন্ট দিতে পারবে কি না — পুরো ব্যবসার জন্য বা ব্রাঞ্চ ধরে ঠিক করুন।
কাউন্টার ধরে ক্যাশ শিফট
প্রতিটা কাউন্টারে শিফট খোলা-বন্ধ, ক্যাশ গুনে পরের শিফটে হস্তান্তর।
ক্ষতি ও হারানোয় অনুমোদন লাগে
ব্রাঞ্চ জানাবে, আপনি অনুমোদন দেবেন — মাল আর চুপচাপ উধাও হবে না।
লাভের হিসাব গোপন
কেনা দাম আর লাভের অঙ্ক দেখবেন শুধু মালিক আর বিজনেস ম্যানেজার।
কী চলছে, কী আটকে আছে, আর স্টকে কত টাকা — সব জানুন।
ফ্যাশন ব্যবসায়ীরা আসলে যে প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজেন, রিপোর্টগুলো সাজানো সেভাবেই — দরকার হলে এক্সেলে এক্সপোর্টও করা যায়।
আজকের বিক্রি, স্টক আর সেরা পণ্য — এক নজরে।
নতুন কালেকশন লঞ্চের পর কত দ্রুত বিক্রি হচ্ছে।
স্টকে কত টাকা আটকে আছে — কেনা ও বিক্রির দামে, দোকান, ক্যাটাগরি বা ব্র্যান্ড ধরে।
যেসব পণ্যের কিছু সাইজ বা কালার শেষ।
বিক্রি হওয়া প্রতিটা পণ্যের হিসাব, এক্সেল এক্সপোর্টসহ।
সব পণ্য × সব দোকান — এক শিটে।
রাইট-অফ হওয়া মাল, কেনা ও বিক্রির দামে।
অর্ডার, মাল রিসিভ আর সাপ্লায়ার রিটার্ন।
প্রফেশনাল বিল
মূসক-৬.৩ ফরম্যাটে A4 ইনভয়েস আর ৮০ মিমি থার্মাল রিসিট — আপনার BIN, ভ্যাটসহ বা ভ্যাট ছাড়া দাম, আর রিপ্রিন্টের সুবিধা।
কিবোর্ডেই ঝটপট বিল
পরিমাণ, ডিসকাউন্ট, মেম্বার, পেমেন্ট আর হোল্ড — সবই F1–F9 শর্টকাটে; ক্যাশিয়ারের মাউস প্রায় লাগেই না।
অ্যাপের ভেতরেই হেল্প সেন্টার
প্রতিদিনের প্রতিটা কাজের ধাপে ধাপে গাইড অ্যাপেই আছে — কাউকে ফোন না করেই শিখে নেবে আপনার টিম।
বাইরে-ভেতরে, আপনার ব্যবসা থাকবে সুরক্ষিত।
বিক্রি, স্টক আর কাস্টমারের তথ্য থাকে নিরাপদ ও গোপন।
আপনার তথ্য শুধুই আপনার
- আপনার ব্যবসার তথ্য সম্পূর্ণ গোপন
- নিরাপদ HTTPS সংযোগ
- পাসওয়ার্ড রাখা হয় সাংকেতিক রূপে
- প্রতিদিন ব্যাকআপ
অনুপ্রবেশ ঠেকাতে
- বারবার ভুল পাসওয়ার্ডে লগইন লক
- ১০ মিনিট পড়ে থাকলে অটো লগআউট
- বাদ দেওয়া স্টাফের লগইন সাথে সাথে বন্ধ
- নতুন স্টাফ নিজের পাসওয়ার্ড বানায়
হিসাবে কারচুপির সুযোগ নেই
- স্টকের হিসাব বদলানো বা মোছা যায় না
- শুধু অনুমোদিত কম্পিউটারে বিল
- রিপ্রিন্টে লেখা থাকে “REPRINT COPY”
- প্রতি শিফট শেষে ক্যাশ মেলানো
সব ফিচার, এক নজরে।
সিস্টেম যা যা করে — বিষয় অনুযায়ী সাজানো।
কাউন্টারে বিক্রি
দ্রুত আর সহজ ক্যাশ কাউন্টার — ক্যাশিয়ার শিখে নেবে কয়েক মিনিটেই।
বারকোড স্ক্যান করুন বা নাম দিয়ে খুঁজুন — সাইজ আর কালারসহ পণ্য উঠে আসে।
প্রতিটা কাউন্টার নিজের ক্যাশ শিফট খোলে ও বন্ধ করে, ক্যাশ চলে যায় পরের শিফটে।
ক্যাশ, বিকাশ-নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং, কার্ড — আপনার দোকান যা নেয়, সেট করে নিন।
শুধু ম্যানেজাররাই করতে পারেন, নিজের ব্রাঞ্চে।
ক্যাশিয়ারের ডিসকাউন্ট চালু বা বন্ধ — পুরো ব্যবসায় বা ব্রাঞ্চ ধরে।
যেকোনো বিল আবার প্রিন্ট করুন; রিপ্রিন্টে স্পষ্ট “কপি” লেখা থাকে।
অফার ও প্রমোশন
অফার একবার বানান — প্রতিটা ব্রাঞ্চের প্রতিটা কাউন্টারে নিজে থেকেই চালু হবে।
সব পণ্যে, ক্যাটাগরি ও তার সাব-ক্যাটাগরিতে, একটা পণ্যে বা একটা ভ্যারিয়েন্টে।
বেশি কিনলে বেশি ছাড়।
একই পণ্যে বা ভিন্ন ক্যাটাগরিতে — যেমন পাঞ্জাবি কিনলে টি-শার্ট ৫০% ছাড়ে।
কয়েকটা পণ্যের সেট, এক বিশেষ দামে।
নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে পুরনো পণ্য বেছে নিয়ে ছাড় দিন।
একটা শিট আপলোড করে প্রতিটা পণ্যে আলাদা ছাড়।
সবচেয়ে নির্দিষ্ট অফারটাই কাজ করে; সাংঘর্ষিক অফার সেভ করার সময়ই আটকে যায়।
অফার নির্ধারিত সময়ে শুরু ও শেষ হয়, শুধু আপনার বাছাই করা জায়গায়।
স্টক ও ব্রাঞ্চ
প্রতিটা সাইজ, কালার আর লোকেশনে নির্ভুল স্টক।
দুই কাউন্টার একই শেষ পিস বিক্রি করতে পারবে না।
প্রতিটা মুভমেন্ট রেকর্ড হয়, বদলানো বা মোছা যায় না।
আলাদা সেন্ট্রাল গোডাউন, অথবা দোকানটাই নিজের স্টকরুম।
ব্রাঞ্চে পাঠানো মাল পৌঁছালে কনফার্ম করা হয়।
ব্রাঞ্চ জানায়, মালিক বা ম্যানেজার অনুমোদন দেন।
ভুল পরিমাণ এন্ট্রি হলে পরিষ্কার রেকর্ড রেখে উল্টে দেওয়া যায়।
কেনাকাটা ও সাপ্লায়ার
অর্ডার থেকে তাক পর্যন্ত — প্রতিটা পণ্যের হিসাব।
নিজে থেকে PO নম্বর আর সাপ্লায়ারের রেকর্ড।
অর্ডারের কিছু মাল এখন, বাকিটা পরে রিসিভ করুন।
ত্রুটিপূর্ণ বা বাড়তি মাল সাপ্লায়ারকে ফেরত দিন।
মাল রিসিভের সময় কেনা দাম থেকে বিক্রির দাম প্রস্তাব করে।
ক্যাটালগ ও বারকোড
পোশাক আর জুতার ব্যবসা যেভাবে সাজানো থাকে, ঠিক সেভাবেই বানানো।
সাইজ আর কালার বেছে দিন — প্রতিটা ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হয়ে যাবে।
সিজন, জেন্ডার আরও অনেক কিছু — ফিল্টার আর রিপোর্টের জন্য।
সাব-ক্যাটাগরিসহ ক্যাটাগরি, পোশাক বা জুতার জন্য আগে থেকেই তৈরি।
রোল লেবেল প্রিন্টারে (পাশাপাশি ১–৩টা) বা A4 শিটে, দামসহ।
পণ্যের বারকোড স্ক্যান করুন, অথবা নিজেরটা বানিয়ে নিন।
ব্যবসার ধরন বেছে নিলেই তৈরি ক্যাটালগ দিয়ে শুরু।
স্টাফ ও নিয়ন্ত্রণ
প্রত্যেকের জন্য ঠিক যতটুকু অ্যাক্সেস দরকার — তার বেশি নয়।
মালিক আর শপ ম্যানেজার মিলেই সবকিছু সামলাতে পারেন।
বিজনেস ম্যানেজার, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, ক্যাশিয়ার, ইনভেন্টরি আর শুধু দেখার অ্যাক্সেস।
ব্রাঞ্চের স্টাফ দেখে শুধু নিজের দোকান।
কেনা দাম আর লাভ দেখেন শুধু মালিক ও বিজনেস ম্যানেজার।
বারবার ভুল পাসওয়ার্ডে লগইন নিজে থেকে লক।
পড়ে থাকা সেশন নিজেই লগআউট হয়ে যায়।
নিরাপত্তা ও ক্লাউড
শুরু থেকেই সুরক্ষিত, আর দেখাশোনার পুরো দায়িত্ব আমাদের।
অন্য কোনো ব্যবসা কখনো আপনার তথ্য দেখতে পারবে না।
দোকান আর সার্ভারের মধ্যে প্রতিটা সংযোগ এনক্রিপ্ট করা।
পাসওয়ার্ড কখনো পড়ার মতো অবস্থায় রাখা হয় না।
বারবার ভুল পাসওয়ার্ডে লগইন লক; পড়ে থাকা সেশন নিজেই লগআউট।
মুভমেন্ট স্থায়ী; সংশোধন হয় নতুন এন্ট্রিতে।
প্রতি কাউন্টারে একটাই রেজিস্টার করা ডিভাইস।
হোস্টিং, প্রতিদিনের ব্যাকআপ আর আপডেট — সব আমাদের দায়িত্বে।
রিপোর্ট
ব্যবসায়ীরা আসলে যা জানতে চান, তার সরাসরি উত্তর।
বিক্রি, স্টক আর সেরা পণ্য — এক নজরে।
নতুন কালেকশন লঞ্চের পর কেমন চলছে।
কেনা ও বিক্রির দামে — দোকান, ক্যাটাগরি বা ব্র্যান্ড ধরে।
যেসব পণ্যের কিছু সাইজ বা কালার শেষ।
বিক্রির প্রতিটা লাইন, এক্সপোর্ট করা যায়।
সব পণ্য × সব দোকান, এক্সেলে।
বিল, মেম্বার ও পছন্দমতো সেটিং
প্রফেশনাল বিল, আর কাস্টমারের বারবার ফিরে আসার কারণ।
মূসক-৬.৩ ফরম্যাটে A4 ইনভয়েস আর ৮০ মিমি রিসিট।
ভ্যাটসহ বা ভ্যাট ছাড়া — দুইভাবেই দাম দেখানো যায়।
মেম্বারদের জন্য % ছাড়, অথবা পয়েন্ট জমানো ও খরচ — রিসিটেই দেখা যায়।
SMS গেটওয়ে দিয়ে ওয়ান-টাইম কোডে মেম্বারের ফোন নম্বর যাচাই।
বিলিংয়ের সাধারণ কাজগুলোর জন্য F1–F9 কী।
কাউন্টারের জন্য ছয়টা কালার থিম।
প্রত্যেক ইউজার নিজের ভাষা বেছে নেন।
নিজের দোকানে একবার চালিয়ে দেখবেন?
এক মিনিটে সাইন আপ করুন, সাথে সাথেই শুরু ১৪ দিনের ফ্রি ট্রায়াল — গাইড করা সেটআপে পোশাকের ক্যাটাগরি আর সাইজ তৈরি হয়ে যাবে, নিজের পণ্য দিয়েই চালিয়ে দেখুন।







